গল্পে গল্পে মহাদেশকে জানা: উত্তর আমেরিকা-২

আচ্ছা ধরুন, বাংলাদেশ সরকার যদি কয়েকজন বিসিএস প্রত্যাশীদের কিউবাতে পাঠিয়ে দেয়, কি হবে বলুন তো? প্রথমেই, প্লেনেই সবাই হাভানা…হাভানা বলে চেচাতে থাকবে, কারন উনারা জানে কিউবার রাজধানী হাভানা। সুন্দরী এয়ার হোস্টেজ হাভানায় সবাইকে নামিয়ে দেয়ার পর সবাই বাজারে গিয়ে খোজ করবে মুক্তোর !! কারন কোচিং শিটে লেখা ছিলো, কিউবা হলো মুক্তোর দেশ। তারপর দলবেঁধে সবাই কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল ক্যাস্ট্রোর সাথে সেলফি তুলতে যাবে। ক্যাস্ট্রো সাহেব সবাইকে চা খাওয়াবেন আর বলবেন কিউবার অতীত ইতিহাসের কথা। কিভাবে ১৪৯২ সালে কলম্বাস কিউবা আবিস্কারের পর আবার স্পেন ৪০০ বছরের জন্য কিউবা দখল করে নেয় সেই গল্প শোনাতে গিয়ে তিনি চা-নাস্তা খাওয়ানোর কথা ভুলে যাবেন। এরপর কিছু বিসিএস প্রত্যাশী রাউল ক্যস্ট্রোকে দুটো কটু কথা শুনিয়ে দিবেন। রাউল সাহেব ভয়ানক ক্ষেপে সবাইকে পাঠিয়ে দিবেন কুখ্যাত গুয়েন্তানামো বে বন্দীশালায়। বাংলাদেশ সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ২ দিন পর সবাই মুক্তি পাবেন। তারপর রাউল সাহেব নিজের ভুল বুঝতে পেরে সবাইকে কানাডার সিএন টাওয়ারে( জাতীয় টাওয়ার) নিজ খরচে ঘুরতে পাঠাবেন। ওখানে বিসিএস প্রত্যাশীদের বরন করা হবে লিলি ফুল আর ম্যাপল পাতা দিয়ে( কারন, কানাডা হলো লিলি ফুল আর ম্যাপল পাতার দেশ)। সিএন টাওয়ার থেকে সবাইকে নিয়ে যাওয়া হবে উড বাফেলো ন্যাশনাল পার্কে (উত্তর আমেরিকার সব থেকে বড় পার্ক)। সব শেষে, বিসিএস প্রত্যাশীদের পাঠানো হবে কুইবেক প্রদেশে। সেখানে এক সুন্দরী ললনা ফরাসী ভাষায় সাগর রহমান নামের এক প্রার্থীকে প্রেমের প্রস্তাব দিবেন। সাগর সাহেব হতচকিত হয়ে ভাব্বেন, তাহলে তিনি প্রফেসরস বইতে ঠিকই পড়েছিলেন, কানাডার কুইবেকে সবাই ফরাসী ভাষায় কথা বলে !!
কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ সাগর রহমান

Leave a Reply

Your email address will not be published.