User blogs

AponPost
ভোকাবুলারি, >> মুখস্থ করার চিন্তা মাথায় না রেখে, শুধু একবার রিডিং পড়েন। মুখস্থ না হয়ে পথ পাবে না। ইনশাআল্লাহ্।
১) Aesthetic - নান্দনিক, সৌন্দর্য, বিজ্ঞান। ( Aesthetic এর শুরুতে Aes কে asia এর সাথে এর সাথে মিলিয়ে মনে রাখা যায়, Asia অনেক নান্দনিক)
২) Admonish - তিরস্কার করা। ( Admonish এর Monish ফান্ডে, সাকিবকে আউট করার কারণে অনেক বাঙ্গালী সমর্থকরারা তাকে তিরস্কার করা শুরু করল)
৩) Adverse -- প্রতিকূল। ( Adverse এর শেষে verse আছে, verse থেকে varsity, varsity তে চান্স পাওয়া অনেক Adverse বা প্রতিকূল ব্যাপার হয়)
৪) Advent -- আবির্ভাব। ( Advent কে Adventure পড়লে মনে রাখা যায়। কারণ Adventure এর মাধ্যমে নতুন নতুন Advent বা আবির্ভাব হয়)
৫) Annuity -- বার্ষিক বৃত্তি। ( Annuity থেকে Annual, ভালো ছাত্ররা বার্ষিক বৃত্তি বা annuity পেয়ে থাকে)
৬) Adorn - সাজানো, সুন্দর করা। ( Adorn থেকে Add ornament, মেয়েরা Ornament add করে নিজেদের কে Adorn বা সজ্জিত করে)
৭) Adroit -- দক্ষ,নিপুণ। ( adroit থেকে Android, Android mobile ব্যবহার করতে অনেক দক্ষ হতে হয়)
৮) Accentuate - জোর দিয়ে উচ্চারণ করা। ( Accentuate থেকে Accent, Accent মানে উচ্চারণ ভঙ্গি আর accentuate মানে উচ্চারণ করা)
৯) Accede - একমত হওয়া। ( Accede থেকে accept, কোন কিছু accept হওয়া মানে একমত হওয়া)
১০) Aboriginal - প্রাচীন। ( Original জিনিস সব সময় Aboriginal বা প্রাচীন গুলোই হয়)
১১) Adventitious -- হঠাৎ, অনিয়মিত। ( Adventitious এর মাঝে titi আছে, ট্রেনে titi Adventitious বা হঠাৎ করে আসে)
১২) Adjutant -- সেনাপতির সহকারী। ( Adjutant কে Assistance এর সাথে মিলিয়ে পড়া যায়, Assistance সেনাপতিই Adjutant বা সহকারী সেনাপতি হয়)
১৩) Adulation -- তোষামেদ করা, প্রশংসা করা। ( Adulation থেকে alu(আলু), মেয়েদের Adulation বা প্রশংসা করলে নাকি, আলুর মত গলে যায়। আমি জানিনা কিন্তু শুনেছি
)
১৪) Adjunct -- সংযোজন। ( Adjunct এর শুরুতে ad থেকে Add, Add করা মানেই। Adjunct বা সংযোজন করা)
১৫) Addendum - অতিরিক্ত সংযোজন। ( Add মানে যোগ করা, আর Addendum মানে অতিরিক্ত সংযোজন)
১৬) Acclaim - প্রসংশা করা। ( Acclaim এর শেষে Claim আছে, Claim মানে দাবি করা, কোন কিছু Claim করে আদায় করলে আপনি acclaim বা প্রশংসার পাত্র হবেন)
১৭) Accost-- এগিয়ে গিয়ে আলাপ শুরু করা। ( Accost কে at any cost এর মত পড়া যায়। at any cost বা যেভাবেই হউক বালকটি বালিকাটির সাথে Accost বা এগিয়ে গিয়ে কথা বলবে)
১৮) Accretion - বৃদ্ধি বা সংযোজন। ( accretion এর শেষে cretion কে creation এর মত পড়া যায়। পুনরায় কিছু Creation বা সৃষ্টি করলে তা Accretion বা বৃদ্ধি পায়)
১৯) Acidulous - তিক্ত স্বাদ। ( Acidulous এর শুরুতে Acid আছে, যা খুবই Acidulous বা তিক্ত)
২০) Acrid - অত্যন্ত তিক্ত। ( Acrid থেকে R বাদ দিয়ে দিলে, acid হয়। যা অনেক acrid)।
মুল লেখক =সুমন ( এলিসি বার্নাড)
সংগ্রহে ।- ফোরকান
AponPost Jul 7 · Tags: word meaning
AponPost

ভালো কিছু করার পূর্বশর্ত হচ্ছে সাহসী হওয়া, নিজের ওপর আস্থা রাখা, নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলা । নিজের ওপর আস্থা না রাখলে আপনি কিভাবে এগিয়ে যাবেন, আস্থা না থাকলে আপনার কাছে রশদ থাকার পরও দেখবেন পদে পদে হোঁচট খাচ্ছেন, আর আপনার চেয়ে অনেক কম রশদ নিয়ে অনেকেই এগিয়ে যাচ্ছে । নিজের মধ্যে থেকে নেগেটিভ মনোভাবটা দূর করতে হবে, পজিটিভ ভাবতে হবে, নিজের প্রতি শ্রদ্ধা থাকতে হবে, নিজের কষ্টের মূল্যায়ন করা শিখতে হবে । যারা একটু কনফিডেন্ট এবং সাহসী যেকোনো পরীক্ষাতে তাদের ভালো করার সম্ভাবনাও বেশি । প্রস্তুতির পাশাপাশি কনফিডেন্সটা বেশি জরুরী । যেকোনো পরীক্ষাতে যত স্টুডেন্টই পরীক্ষা দিকনা কেন প্রকৃত competition ৫,০০০-১০,০০০ জনের মধ্যেই হয় । এরমানে এই নয় যে বাকিরা খারাপ স্টুডেন্ট, বেশিরভাগ স্টুডেন্টরাই পরীক্ষার হলে নার্ভাস হয়ে নিজের কষ্টের প্রস্তুতির অবমূল্যায়ন করে বসে । নার্ভাস হয়ে পরীক্ষা সম্পর্কে আগে থেকেই একটা নেগেটিভ মন্তব্য করে বসে, যেমন একটা চাকুরীর পরীক্ষায় নিবে ১২০ জন , পরীক্ষা দিচ্ছে ১ লাখ, এটা শুনে আগেই বলে বসবে- তাহলে তো আমার চান্স হবেনা ।

যে ভালো প্রস্তুতি থাকার পরও বলবে হবেনা, তার হওয়াটা আসলেই কঠিন । মোটামুটি ভালো প্রস্তুতি কোনটা, কিভাবে নিতে হয়, নিজের লিমিট, যেকোনো পরীক্ষার ধরণ, সময় adjust করতে পারা ইত্যাদি নিয়ে ভালো জ্ঞান থাকাটা জরুরী । যেকোনো পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি শুরু করার আগে কিছু বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখুন যেমন উক্ত পরীক্ষাতে বিগত বছরগুলোতে কত নাম্বার পেলে চান্স হয়েছে, সেই পরীক্ষার প্রশ্নের ধরণ কেমন, সময় কতক্ষণ, কত নাম্বারের পরীক্ষা, MCQ ,লিখিত ও ভাইভাতে নাম্বার কত ? নাম্বার টার্গেট করে পরীক্ষা দিন, আপনার জন্য সফল হওয়াটা সহজ হবে । কি টাইপ প্রশ্নে মোটামুটি কত পেলে চান্স হয় এই ধারণা রেখে সেই নাম্বার পাওয়ার চেষ্টা করুন দেখবেন এমনিই সফল হয়েছেন । কতজন পরীক্ষা দিচ্ছে, কে কিভাবে স্টাডি, কে কয় ঘণ্টা স্টাডি করছে এসব না ভেবে নিজের মতো করে স্টাডি চালিয়ে যান । দেখবেন ঠিকই ভালো কিছুই হয়েছে । কাজের দিকে মনোযোগ দিন, নিজের কাজে অটল থাকুন, সফলতা নিয়ে না ভেবে কাজের দিকে নজর দিন । টেরও পাবেন না কখন সফলতার দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছেন । আপনার কাজ জাস্ট সাহস নিয়ে এগিয়ে যাওয়া । ভালো থাকবেন সবাই, Good luck guys.

By----- Aryan Ahmed
Assistant Commissioner of Taxes

AponPost
১। ১৭৮৯ সালে বাস্তিল দুর্গ পতনের কারণ হিসেবে খ্যাত ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান কী ছিল ?
= স্বাধীনতা , সাম্য , মৈত্রী 
২।গ্রেটেস্ট শো হিসেবে খ্যাত অলিম্পিক গেমস ২০২০ সালে কোথায় অনুষ্ঠিত হবে ?
= টোকিও , জাপান 
৩।১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ’স্বরবিতান’ থেকে সংগৃহীত ১ম ১০ লাইন ‘ আমার সোনার বাংলা ‘ গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয় কবে ?
= ৩ মার্চ, ১৯৭১ । 
৪। গণতন্ত্র চত্বর কোথায় অবস্থিত ?
= নমপেন , কম্বডিয়া 
৫।১৭ সেপ্টম্বর ১৯৭৪সালে জাতিসংঘের বাংলাদেশের সদস্য পদ লাভ করে কিন্তু এর বিরুদ্ধে কোন দেশ ভেটো প্রদান করে ?
= চীন ( ২৫ আগস্ট , ১৯৭২। 
৬। ১৯১০ সালে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি হিসেবে নোবেল পাওয়া গ্রন্থ ‘গীতাঞ্জলি’ র ইংরেজি অনুবাদের নাম কী ?
= Songs Offerings 
7. বাংলাদেশের কোন বিভাগ ‘পদ্মা’ নামে পরিচিত হবে ?
= ফরিদপুর 
৮। সমতট ছাড়াও কুমিল্লার প্রাচীন নাম 
= রোসনা বাদ । কুমিল্লা বিভাগের নাম রাখা হবে ‘ময়নামতি’ প্রস্তাব করা হয়েছে। 
৯। বাংলাদেশের সর্বশেষ বিভাগ কোনটি ?
= ময়মনসিংহ । ( ঘোষণা > ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৫ ) । বর্তমানে মোট ৮টি । 
১০ । আল জাজিরা কোন দেশের টেভিশন ?
= কাতার 
১১। ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে কয় ভাগে ভাগ করা হয় ?
= ৩ 
১২। ৪ এপ্রিল , ১৯৪৯ সালে গঠিত হয়ে সম্প্রতি মন্টিনিগ্রোকে নিয়ে ২৯ সদস্য বিশিষ্ট সামরিক জোট ‘ ন্যাটো’র মুসলিম সদস্য 
= তুরস্ক ও আলবেনিয়া । 
১৩। বাংলাদেশের গ্রান্ড মাস্টার খেতাব অর্জনকারী প্রথম দাবাড়ুুু কে ?
= নিয়াজ মোরশেদ 
১৪।১৯৭৫ সালে প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয় ?
= মেক্সিকো সিটি , মেক্সিকো । 
১৫। স্বাধীনতা চুক্তি কোন দুটি দেশের মধ্যে হয় ?
= যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ড ( প্যারিস চুক্তি বা ১ম ভার্সাই চুক্তি র অপর নাম স্বাধীনতা চুক্তি , ৩ সেপ্ট, ১৭৮৩ )
AponPost
প্রাইমারী স্কুলে থাকতে একটি মেয়েকে ভাল লাগত। যদিও প্রেম ভালবাসা তেমনটা বুঝতামনা। তবে সপ্তাহে শুক্রবারে টেলিভিশনে একটি করে বাংলা ছায়াছবি প্রচারিত হত। ছবিতে দেখেছি নায়ক ফুল দিয়ে বলে অামি তোমাকে ভালবাসি। এই ভাল লাগাটা খুব করে বুঝতাম।
তাইতো একদিন ফুল নিয়েই স্কুলে গেলাম। কোন ফুল না পেয়ে শাপলা ফুল নিয়ে গিয়েছিলাম।
উপরের ক্লাসের দুই মেয়ে একসাথে এসে বলতেছে, "ফুলগুলো খুব সুন্দর, অামাদের দিবা"?
বলেছিলাম তোমাদের দিব কেন? অামিতো ফুল এনেছি ফারজানার জন্য।
দুই মেয়ে এক প্রকার তেড়ে এসে বলল, "এখনি প্রেম পিড়িতি শিখে গেছো? দাড়াও মেডামের কাছে বলতেছি।"
অনুরোধ করে বললাম, মেডামকে বলিওনা। সেদিন মেয়ে দুটি মেডামকে কিছু বলেনি। কিন্তু বিনিময়ে অামার হাতের ফুলগুলো কেড়ে নিয়েছিল।
.
চিঠির মাধ্যমে নাকি ভালবাসার কথা জানানো যায়। তাইতো জীবনের প্রথম ভালবাসার চিঠি লিখেছিলাম ইতি নামের এক মেয়ের জন্য। পাশের এলাকাতেই থাকত।
মনে অাছে, চিঠির ভাষা মনমত হয়না বলে প্রায় খাতার অর্ধেক পৃষ্ঠা ছিড়ে ছিড়ে লিখেছিলাম ইতিকে নিয়ে প্রেম পত্র।
এক ছোট ভাইকে দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলাম ইতির কাছে।
বিকেলেই চিঠি হাতে করে নিয়ে এসে অাম্মুর কাছে ইতি বিচার দিয়ে গেছে।
চিঠির শেষে অামার নাম লিখিনি বলে সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিলাম।
.
মোবাইলে নাকি প্রেম করা যায়। প্রথম যখন নোকিয়া মোবাইলটি কিনেছিলাম মনে অনেক অাশা ছিল প্রেম করব। পরিত্যাক্ত বাড়ির ছাদে বসে বিভিন্ন নাম্বার বানিয়ে বানিয়ে ফোন দিতাম।
কখনো রিসিভ করত অান্টি টাইপের মহিলা। কখনোবা রিসিভ করত কর্কশ গলার অাঙ্কেল।
মোবাইলের বহু টাকা ফুরিয়ে অবশেষে এক মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব করলাম।
অনেকেই বলে অাগে বন্ধুত্ব করে ঘনিষ্ট হতে হয়। তারপর প্রেম হয়ে যাবে।
সাত মাস কথা বলে ঘনিষ্ট হয়ে জানতে পারলাম মেয়েটির স্বামী বিদেশ থাকে অার তিনি দুই বাচ্চার মা।
.
অবশেষে বুঝতে পারলাম প্রেম এত সহজে হবেনা। প্রেমের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। সময় ব্যায় করতে হবে।
ফেয়ার এন্ড হেন্ডসাম স্নো কিনে এনে সকাল বিকাল ঘষা শুরু করলাম গালে।
কখনো হাত ভর্তি স্নো নিয়ে গালে মেখে ভূতের মত সাদা বানিয়ে রাখতাম। কিন্তু অামার কালো মানিকের চেহারা কালোই রয়ে গেল।
একশত পঞ্চাশ টাকা করে খুব সুন্দর সুন্দর টিশার্ট পাওয়া যেত। অনেকগুলো কিনেছিলাম। সকালে একটা বিকালে একটা পড়ে এদিক সেদিক ঘুরে বেড়াতাম। কোন রমনীর নজরে পড়লামনা।
অবশেষে বুঝতে পারলাম অামার দ্বারা অার প্রেম হবেনা।
.
ফেইসবুকে একেকজন নাকি দশটা বারোটা করে প্রেম করে। লোভ সামলাতে না পেরে এক বন্ধুকে দিয়ে ফেইসবুক একাউন্ট খুলেছি।
মেয়েদের নাম দেখে দেখে রিকুয়েস্ট পাঠানো শুরু করলাম। সারাদিনে যদি একটি মেয়ে এক্সেপ্ট করত খুশিতে লাফিয়ে উঠতাম। অার মনের ভিতর অাশার অালো এই বুঝি প্রেম হতে চলল।
দেখা গেল একটা মেসেজ দিলে তিন দিনেও উত্তর মিলতনা।
কেউ রিপ্লে দিলেও দুই মিনিট মেসেজ করে উধাও।
অবশেষে অনেক চেষ্টায় দুই মেয়েকে পটাইছি। কি অানন্দ, অামিও একসাথে দুইটা প্রেম করি।
কেমন প্রেম? মেসেজেই কথা। ফোন নাম্বার দিতে চায়না। ছবি দিয়েছে কিন্তু মডেল তারকাদের ছবির মত লাগে।
চারমাস যাওয়ার পর অাস্তে অাস্তে জানতে পারলাম দুজনই ছেলে ছিল।
তারা মেয়ের নামে অাইডি খুলে চালায়। অামার অার প্রেম হলনা।
.
কেউ একজন বলেছিল, "সারা দুনিয়া ঘুরে প্রেম পাবিনা। তোর মনে যখন প্রেম অাসবে নিজেই টের পাবি। "
কিন্তু কতদিন অার অপেক্ষায় থাকব???
সব সুন্দর মেয়েদের এক এক করে বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। অামার ভাগ্যে একজন থাকবেতো?
.
পাশের বাড়ির "দিয়া" মেয়েটি দুদিন পর পরই মেহেদী তুলতে অাসে অামাদের বাড়ি। একেক সময় বলে তাকে মেহেদী তুলে দিতে।
কখনো দেই কখনো কাজের কথা বলে চলে যাই। হঠাৎ বিষয়টা মাথায় এল। দুদিন পর পর মেয়েটি মেহেদী দিয়ে কি করে? হাতের মেহেদীর রং না মুছলে অাবার মেহেদী দিবে কোথায়?
একদিন জিজ্ঞেস করেই ফেললাম, "এই দিয়া তুমি দুদিন পর পর মেহেদী নিয়ে কি করো?"
যাবার সময় বলেছিল, "এতদিনে জিজ্ঞেস করলেন দুদিন পর পর মেহেদী নিয়ে কি করি? অাজো বুঝলেননা যে মেহেদী নেয়ার ছলে কাউকে দেখতে অাসি।"
একটু অবাক হয়ে দিয়ার চলে যাওয়া দেখছিলাম অার ভাবছিলাম অামাকে ছাড়া অার কাকে দেখতে অাসবে?
কত বোকা অামি। ঘরের কাছে প্রেম রেখে সারা দুনিয়া প্রেমের জন্য ঘুরে মরি। অথচ অামাকেই ভালবাসে "পাশের বাড়ির মেয়েটি।"
.
.
লেখনীর শেষ প্রান্তে - Mohammad Omar Faruq
AponPost
আইফোনের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস বলেছিলেন একটি ছবির উপর দুটি লেখা তার জীবন বদলে দিয়েছিলো! সে দুটি কথা কি জানেন? 'স্টে হাংরি, স্টে ফুলস' মানে 'বোকা থাকো, ক্ষুধার্ত থাকো!'
.
পৃথিবীর অন্যতম সেরা ধনী আলী বাবা ডট কমের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা যখন ওয়েবসাইটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তখন তিন বছর যাবত একটি ডলারও ইনকাম করতে পারেননি! অনেকে তাকে বলেছিলেন হালা বোকচোদ! কি নাকি ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করবে! তখন তিনি শুধু ভাবতেন সবাই তাকে বোকা বললেও কেউ কেউ ওয়েবসাইটির মাধ্যমে উপকার পাচ্ছে! থ্যাংকস দিচ্ছে! এই প্রাপ্তিটা কম কিসের? তারপর আলী বাবা ডট কম এতো জনপ্রিয় হলো যে রাতারাতি বিষ্পোরণ এবং তিনি হয়ে গেলেন চীনেসহ পুরো পৃথিবীর আইডল!
.
তিনি ক্যান্টাকি ফ্রাইড চিকেন কেএফসিতে পরীক্ষা দিয়েছিলেন! চব্বিশ জনের মধ্যে ২৩ জন পাশ করলো শুধু তিনি ফেইল! সবাই বলেছিলো হালা বোকারাম!
.
পৃথিবীর অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আইনস্টাইনকে তার শিক্ষক বলেছিলেন সে এতো বোকা যে তার দ্বারা কিচ্ছু হবে না!
.
ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী এতো বোকা ছিলো যে সে যখন আইন পড়ার জন্য লন্ডনে যায় তখন তার সিনিয়র ভাই উপদেশ দিয়ে বলেছিলো, আইন বিষয়ে সফল হতে হলে কথা বলতে হবে তুমি এতো লাজুক আর বোকা হলে তো সফল হতে পারবে না! তোমাকে লোকের সম্মুখে কিছু বলতে পারতে হবে! সেই ছেলেটি একদিন ইন্ডিয়া থেকে ব্রিটিশদের হটিয়ে অহিংস আন্দোলনের রূপকার হয়ে গিয়েছিলো!
.
লক্ষ লক্ষ লোক তার কথায় ব্রিটিশ পোশাক ছেড়ে হাতে তৈরী পোশাক পরিধান করতো! তাকে সামনে রেখে হাজার হাজার লোক তার পিছনে হাঁটতো! সে নিজে এতো বেশী হেঁটেছে যে বলা হয়ে থাকে পুরো পৃথিবী দুইবার সে হেঁটে ফেলেছে!
.
বোকা নিয়ে আরো অনেক উদাহরণ আছে কিন্তু দিবো না কারণ আপনি হয়তো ভাবছেন আবদুর রব শরীফ ভাই এসব কি শুরু করলো! শেষ পর্যন্ত বোকার পিছনে লাগলো! আসেন কৌতুক করি,
.
এক বোকা লোক গাধাকে স্কুল ভর্তি করাতে নিয়ে যাচ্ছে তা দেখে আরেকজন বললো, তুই এতো বোকা কেরে? গাধাকে স্কুল ভর্তি করাতে নিয়ে যাস! বোকা লোকটি বললো, গাধারও শিক্ষিত হওয়ার অধিকার আছে! যেদিন গাধা শিক্ষিত হবে দেখিস্ সেদিন কেউ তাকে আর গাধা বলবে না! তা শুনে লোকটি বললো, বুঝলাম কিন্তু আজ তো শুক্রবার! স্কুল বন্ধ!
.
সাবেক ফাস্ট লেডি মিশেল ওবামা 'দ্য রয়েল' অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সম্বন্ধে বলেছিলেন, 'ওবামা বোকা ছিলেন! বড় হতে এবং পৃথিবী সম্বন্ধে বুঝতে তার অনেক সময় লেগেছিলো!'
.
পাকিস্তানে কিংবদন্তি প্লেয়ার ওয়াসিম আকরাম এতো বোকা ছিলেন যে, জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পর জাভেদ মিঁয়াদাদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন, বাড়ি থেকে কত টাকা নিবো?
.
টমাস আলভা এডিসনের শিক্ষক তার মা কে চিঠি লিখে বলেছিলেন যে তার সন্তান এতো বোকা যে তার পক্ষে পড়ালেখা চালিয়ে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হওয়া সম্ভব না সে ছেলেটি একদিন পুরো পৃথিবী আলোকিত করে দিয়েছে!
.
বলছিলাম উদাহরণ দিবো না! কত বোকা হলে আমি আবার উদাহরণ টানা শুরু করলাম! :P
.
লিখেছেন, Abdur Rob Sharif ( আবদুর রব শরীফ )
AponPost
ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় টিভি সিরিয়াল গুলো শিরোনামে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলাম কয়েক বছর আগে। তখন ভাবিনি কথাটির জলজ্যান্ত প্রমান এতো দ্রুত পেয়ে যাবো। সিরিয়াল দেখতে না পারায় আত্মহত্যা! ডিভোর্স! আর সিরিয়াল দেখতে অসুবিধা মা তার বাচ্চা শিশু কেঁদে উঠায় শিশুটির গলা ব্লেড দিয়ে কেটে দিয়েছে এমনও ভয়াবহ খবর শুনতে হয়েছে আমাদের! ভাবুন একবার কোন অবস্থায় যাচ্ছি আমরা! আমাকে যদি কেউ বলে খারাপ কাজ, কুটনামী শিখার সবচেয়ে ভাল মাধ্যম কোনটি? নি:সন্দেহে আমি বলবো, ভারতীয় সিরিয়াল। পরকীয়া শেখাচ্ছে, শেখাচ্ছে প্রেমের ফাঁদে ফেলে কিভাবে একটা মেয়ের জীবন নস্ট করা যায়। বল্টু ময়নার সুখের সহ্য হচ্ছে না মর্জিনার। কেমনে ময়নারে মেরে বল্টুর বউ হওয়া যায় সে উপায় খোঁজে মর্জিনা। অথবা অমুক সাহেবের পরিবারের সম্পত্তি কিভাবে হাতিয়ে নেয়া যায় সেই চিন্তা তমুক সাহেবের। আর বউ শাশুড়ির যুদ্ধ তো প্রতিদিন আছেই! এইসব সিরিয়াল যে আমাদের সমাজে কত টা ক্ষতি করছে তা বুঝতে পারছি না, মুগ্ধ হয়ে দেখছি!
.
দায়সাড়া সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মাদক সেবন, অশ্লীল কার্যকলাপ প্রচার করা হচ্ছে। প্রত্যেক চ্যানেল একই কাহিনীর (ক্ষতিকারক) আজগুবি সিরিয়াল দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে এদিকে দেশের শিল্পী, নির্মাতা, চ্যানেল গুলোর মাথায় হাত! মাঝে মাঝে রিমোট হাতে টিভি চ্যানেল ঘুরালে মনে হয় ইন্ডিয়ার কোনো রাজ্যে আছি!
.
ভাষাগত সমস্যাও বাড়ছে, ছোট ছোট বাচ্চারা হিন্দিতে কথা বলে। আর কিছু বড় বড় ছেলেমেয়ে ফেসবুকে হিন্দিতে কথা বলা কে স্মার্টনেস মনে করে! এটা ভারতীয় চ্যানেলের প্রভাবে।
.
–আজহার শাহী
AponPost
দুইদিন ধরে আব্বার পেট খারাপ। সন্ধ্যায় হুংকার দিল, নিজে রান্না করবে! আমি বললাম, মাফি মুশকিলা, করেন। সন্ধ্যায় ও দেখলাম বেগুন ভর্তা বানাইসে, সাড়ে নয়টায় খাইতে যেয়ে দেখি ওইটা বেগুন ভর্তা না, ডাইল, ঘণ ডাইল! আব্বারে বললাম আমি হোটেলে যাই, খেয়ে আসি! কচিঁ ভেড়ার মাংস আর ডাইল দিয়া ভাত খেয়ে আসলাম। বিয়ে করা বড্ড প্রয়োজন, এভাবে কি হয়?

যাক গে, কথা সেটা না। গল্প অন্য বিষয় নিয়ে। ঈদের পরদিন খুব সম্ভবত, এক রোগী জাবের মাহাদী মুবারাক আল ফতেহ, পেশায় পুলিশ, তাওয়ারীতে (ইমার্জেন্সী) আমাদের গালি গালাজ করে। আমি আর খালিদ এক্সপ্ল্যানেশন চাওয়ায় মাথার রাবারের ব্যান্ড ছুড়ে মারে আমাদের দিকে, তারা দুই জন, আমরা দুইজন! ;) এই আচরনের মানে হল মারো নইলে মরো!

সত্যি কথা বলতে, খালিদ না থাকলে আমি বেধড়ক পিটুনি খাইতাম। খালিদ পুরাই গুলিস্তান স্টাইলে "এগুলি কি কর, এগুলি কি কর বলে" জাবের মাহাদীকে উত্তর আফ্রিকান প্যাঁচে আটকে রাখে, আমি কয়েকটা চড়, ঘুষি লাত্থি মারতেই, জাবের এর সাথে থাকা অন্য আরব চেয়ার ছুড়ে মারে! আমি সরে যেতে চাইলে দরোজার উপর পড়ি, দরোজা খুলে যায় মেল অবসার্ভেশন রুমের, দৌড়ে দুই আরব বের হয়ে যায়, এবং বিশাল ভুল করে, তাদের সাথে থাকা হস্পিটালের কাগজ টা (ই আর পেপার) নিয়ে দৌড়ে গাড়িতে উঠে পালায়!

বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি নষ্টে কিন্তু একটা কমন কেস আছে। মোরোভার, এখানে ডাক্তারদের সাথে অসদাচারণ এর শাস্তি হইলো, দশ বছরের জেল কিংবা পাচঁ লাখ এস আর (১ কোটি বিডিটি) জরিমানা। জাবের এর সবচাইতে বড় ভুল ছিল সে ই আর পেপার নিয়ে গেছে! নিজে দোষ না করলে সে পরিচয় গোপন করবে কেন? সেদিন রাতেই আমি আরর খালিদ তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনের ভায়োলেশন সহ তিন পেজের কম্পলেইন দিই!

ওয়াল্লাহ! বিশ্বাস করবেন না, পরদিন জাবের মাহাদীর গুষ্ঠির অর্ধেক লোক এসে আমার আব্বা, হস্পিটাল ডাইরেক্টর এর কাছে হাত পেতে বসে আছে, ডা স্যাম (আসলেই এখানে আমাকে স্যাম ডাকে) কে বলুন মালিশ হইতে, দরকারে ফুলুস খাসারা (আর্থিক জরিমানা) দিব। আব্বা লজ্জিত হয়ে বলেন, আনা আওলাদ মাফি মিস্কিন! (আমার পুত্র মিসকীন নয়) ;)

আমি সাথে সাথে এপোলজি এক্সেপ্ট করি, সেও মুচলেকা দেয়, আমিও ইংলিশে কাগজে লিখে দিই, আমি তাকে ক্ষমা করেছি। শুধু বাকি থাকে থানায় উপপস্থিত হয়ে আমাকে কেস উইথড্রো করার কাজ। আমি যতক্ষণ না উইথ ড্রো করব, সে ততক্ষণ ওই এলাকা লীভ করলেই পুলিশ তাকে এরেষ্ট করবে!

আমি তাকে বলি, ঠিকাছে, তুই আজকে যা, আমি পরে থানায় যাব। দুই তিন দিন পর আজ গেসিলাম থানায়। কেইস উইথ ড্র করার সময় ওরে রুম থেকে বের করে দিয়ে, আমাকে থানার মুদীর জিজ্ঞেস করসে, আমি কি আসলেই ক্ষমা করে দিসি, নাকি ও কোন ভয় দেখাইছে! আমি হেসে বললাম, খাল্লি বাল্লি মুদীর!

বের হওয়ার সময় কথা বলতে গিয়ে বুঝলাম জাবের এর ঠান্ডা লাগছে, ওষুধ এর নাম হোয়াটস এপে লিখে দিলাম। বললাম, দেখ মাইর ও খাইলি, মান সম্মান ও খোয়াইলি, কেন হস্পিটালে এসে চুদুর ভুদুর করলি? মানুষ কে লাজেম "এহতেরাম" (শ্রদ্ধা/সম্মান) করবি, আমরা সবাই মানুষ! আনা কালাম সোদক, সাহ?
AponPost
মহিলা ৯১১ কল রেখে নিজের স্বামীকে ফোন দিলেন। স্ত্রীর ফোন রিসিভ করে শোনেন তিনি বলছেন, "তোমাকে এখুনি বাড়ি ফিরে আসতে হবে। এখুনি।" ভদ্রলোক কোন কথা বাড়ালেন না। বুঝলেন কোন একটা সমস্যা হয়েছে। তিনি বাড়ির দিকে রওনা হলেন।

বাড়ি এসে দেখেন তাঁর পুরো বাড়ি পুলিশ, মেডিক্যাল ডাক্তার এবং সরকারী লোকজনে গিজগিজ করছে। পুলিশ জানালো তাঁর স্ত্রী তাঁর পাঁচ সন্তানকে মেরে ফেলেছে!!

ভদ্রলোক শোকের ধাক্কা সামলাতে সামলাতেই দেখেন তাঁর স্ত্রীকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশ বাড়ি থেকে বের করে এনে গাড়িতে উঠাচ্ছে। মহিলার চেহারায় কোন অভিব্যক্তি নেই। তিনি হাউমাউ কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন।

পুরো অ্যামেরিকা ফুঁসে উঠলো। তাঁরা সবাই পাঁচ সন্তান হত্যাকারী মায়ের সর্বোচ্চ শাস্তি চায়। পুলিশ অফিসার সাক্ষ্য দিতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন।

"প্রথমে আমার মনে হয়েছিল মেঝেতে পুতুল পড়ে আছে। গায়ে হাত দিয়ে দেখি এটা মানব শিশু! নিথর! নিষ্পলক আমার দিকেই যেন তাকিয়ে আছে। তারপর আসামী আমাকে দেখালো আরও চারজন বিছানায় শুয়ে আছে। একটা তিনবছরের ছেলের কোলে ছয়মাস বয়সী একটি বাচ্চা মেয়েকে দেখলাম। সবাই মৃত। আমার ক্যারিয়ারে এত কঠিন সময় আমাকে কখনই দেখতে হয়নি।"

অদ্ভূত শোনালেও সত্য, মহিলার পাশে এসে দাঁড়ালেন তাঁর স্বামী। তিনি বারবার মিডিয়াকে এবং আদালতকে বলতে থাকলেন,
"আমার স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ। সে তাঁর সন্তানদের অত্যন্ত ভালবাসতো। তাঁর মতন মা হয় না। সে একজন চমৎকার স্ত্রী। সে সুস্থ মাথায় এই হত্যাকান্ড কিছুতেই করতে পারেনা।"

মিডিয়া তার স্বভাবমতন রসিয়ে রসিয়ে ঘটনাটাকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করলো এমনভাবে যে আসলে ভদ্রলোক নিজেই খুনি। নাহলে পাঁচ সন্তান হারাবার পর একজন বাবা কিভাবে মিডিয়ার সামনে হাসিমুখে কথা বলতে পারেন? কেন তিনি নিজের খুনি স্ত্রীকে বাঁচাবার চেষ্টা করছেন? কেন? কেন?? কেন???

সত্য ঘটনা হচ্ছে আন্দ্রিয়া ইয়েটস আসলেই একজন মানসিক রোগী ছিলেন। সাইকোলজিতে একে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন বলে। শিশু জন্মের পরে প্রায় সব মায়েরই এমনটা হয়ে থাকে। অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। শরীরে ম্যাসিভ হরমোনাল চেঞ্জের জন্য এমনটা ঘটে। আমাদের দেশের বেশিরভাগ লোকই যা জানেনা।

এই সময়ে মায়েরা স্বামীদের খুন করে ফেলতে চায়, অথবা আত্মহত্যা করতে চায়। অথবা এমন কিছু করতে চায় যা সুস্থ মাথার মানুষ কল্পনাও করতে পারেনা। বিদেশে এই রোগের ভাল চিকিৎসা আছে। এরা সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যায়, কাউন্সেলিং করে, ওষুধ খায় - সুস্থ্যও হয়ে যায়।

আমাদের দেশে প্রথমেই মেয়েকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শ্বাশুড়ি ননদরা মুখ বাঁকিয়ে বলবেন, "আমরা আর মা হই নাই। সবই ঢং আর ফুটানি!" মেয়ের মা ও বোন বলবেন, "মানিয়ে নে মা.....মানিয়ে নে।" স্বামিতো কিছুই শুনতে চাইবে না, বুঝাতো বহুদূর। "দ্যাখো, নানান টেনশনে এমনিতেই আমার মাথা গরম থাকে। তোমার এইসব ফালতু ঢং শুনতে ইচ্ছা করছে না।"

গৃহিনী আন্দ্রিয়া ইয়েটসের তৃতীয় সন্তান জন্মের পর থেকেই তাঁর মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যেতে থাকে। তিনি পাগলের মতই সন্তানদের ভালবাসতেন। কিন্তু একই সাথে তাঁর পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন তাঁকে খেয়ে ফেলছিল। নিজের সন্তানদের যাতে ক্ষতি না করতে পারেন, সেজন্য তিনি আত্মহত্যা করতে চাইলেন দুইবার - দুইবারই তিনি ব্যর্থ হলেন। ডাক্তার তাঁকে এন্টি ডিপ্রেশন ওষুধ দিলেন। তিনি কিছুদিন খেলেন।

তারপর সুস্থ হয়ে গেছেন ভাবে খাওয়া বন্ধ করে দিলেন। স্বামী ভাবলেন আরেকটা সন্তান আসলে
হয়তো স্ত্রী সুস্থ হয়ে উঠবেন।
উল্টোটা ঘটলো। চার সন্তাদের পর অবস্থা আরও বাজে হলো এরমধ্যে ডিপ্রেশনের ওষুধ মাঝ পথে বন্ধ করে আবার শুরু করায় ব্রেনও এলোমেলো হয়ে গেল। পঞ্চম সন্তানের জন্ম পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুললো।

ডাক্তারের কাউন্সেলিং, হাই ডোজের ওষুধ বা পরিবারের সাহচার্জ্য, কিছুই কাজে এলো না। তিনি একে একে পাঁচটা বাচ্চাকেই বাথটাবের পানিতে চুবিয়ে মারলেন।
ছোট চার বাচ্চা কিছুই বুঝেনি, তারা চুপচাপ মরে গেছে। বড় ছেলেটা ভেবেছিল মা হয়তো তাঁকে কোন দুষ্টামির জন্য শাস্তি দিচ্ছেন। বাথটাবের পানিতে চুবানি খেতে খেতে সে কাঁদতে কাঁদতে বলছিল, "I'll be good. I'll be good."

বাঙালি বাচ্চা হলে যে বলতো, "আমি আর
করবো না মা, আর করবো না।" মাকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় কাজগুলো তুমি কেন করলে? তিনি বলেন, "আমার এক ছেলে বড় হয়ে সিরিয়াল কিলার হতো, আরেকটা ড্রাগ অ্যাডিক্ট। আর মেয়ে হতো বেশ্যা।"
"তোমাকে এই কথা কে বলেছে?"
"শয়তান।"
"শয়তান তোমাকে নিজে বলেছে?"
"হু।"
রাস্টি ইয়েটস ট্রায়ালের শেষ দিন পর্যন্ত স্ত্রীর পক্ষে ছিলেন। অ্যামেরিকান আদালত আন্দ্রিয়াকে সন্তান হত্যার দায় থেকে মুক্ত ঘোষণা করলো। তবে তাঁকে মানসিক রোগের চিকিৎসার নির্দেশ দিল। মহিলা এখনও মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হয়তো আজীবন তাই থাকবেন।

রাস্টির সাথে তাঁর ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। রাস্টি আবার বিয়ে করে এখন নতুনভাবে জীবন শুরু করেছে। তাঁর নতুন সংসারে এখন একটি শিশু। তবে এখনও সে প্রায়ই আন্দ্রিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যায়।

হিউস্টনের একটি কবরস্থানে বিরাট একটা ফলকে লেখা আছে "ইয়েটস," এবং তার নিচেই নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে পাঁচ ভাইবোন।
হিউস্টনের ঘটনাটা কী আমাদের দেশে ঘটেনা? প্রায়ই দেখা যাচ্ছে মায়ের হাতে সন্তান খুন। স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন। প্রেমিকের সাথে পালিয়ে গেছে নবজাতকের মা। কিংবা, মায়ের আত্মহত্যা। আমরা তখন কী করি?

কথা ছাড়া মেয়ের দোষ দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলি।
এই এক ঘটনার পর পুরো অ্যামেরিকা নড়েচড়ে বসেছিল। পোস্টপার্টেম ডিপ্রেশনকে এরা হাইয়েস্ট প্রায়োরিটি দিয়ে চিকিৎসা করে। এরা শিক্ষিত জাতি। এরা বুঝে যে মানসিক রোগ মানেই পাগল নয়। সাইকিয়াট্রিস্ট দেখানো মানেই উন্মাদ নয়।

**পাগল হলেই কেবল কাউন্সেলিং করতে হয়না। বরং রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা করানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
AponPost
1. Apocryphal কৃত্রিম, সন্দেহজনক = invented, mythical, untrue, dubious
2. Apogee চূঁড়া = apex, acme, zenith, pinnacle, summit, peak
3. Apostate স্বধর্মত্যাগী = one who abandons his religious and political beliefs, absconder, traitor, runaway, fugitive, renegade
4. Apothecary ঐষধ বিক্রেতা = druggist
5. Apoplexy সন্ন্যাস রোগ = stroke
6. Apothegm প্রবচন = aphorism, saying, Maxim, axiom
7. Appall আতংকিত করা= dismay, shock, horrify, disgust, upset, sicken, outrage, scandalize, distress
8. Apparition ভূত = phantom, ghost, specter, spirit
9. Appease শান্ত করা= pacify, soothe, mollify, conciliate, placate, calm down
10. Appellation পদবী, নাম = accolade, title, designation, label
... Shohan Pervez , খু. বি. ..
AponPost
এইচএসসির পর পরই শুরু হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের দৌড়াদৌড়ি। ভর্তিচ্ছুদের উদ্দেশ্যে নিজের খেয়ে একটু বকবক করিঃ
.
১. পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেতে হলে কঠোর পরিশ্রমের কোন বিকল্প নাই। তাই যারা নিজেদের অতি মেধাবী ভেবে ভর্তি পরীক্ষার আগে পড়াশোনা করবানা তারা চান্স পাবানা সিউর থাকো।
.
২. যারা টাকা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স নেবার ধান্দায় আছো তারা এসব ধান্দার চিন্তা বাদ দিয়ে ভালো করে পড়াশোনা কইরো। এটা ঠিক যে সব বিশ্ববিদ্যালয়েই অল্পস্বল্প দূর্নীতি হতে পারে তবে সেটা হাতেগোনা ও খুব রিস্কি । ধরা খাইলে জামিন নাই টাইপের। ভালো করে পড়াশোনা করলে এমনিতেই চান্স হয়ে যাবে।
.
৩. অনেকেই এসএসসিতে জিপিএ ফাইভ পেয়েছো ইন্টারেও অনেকে পাবা। কিন্তু যারা ভাবতেছো জিপিএ ফাইভ পেয়ে যাবা মানে বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া তোমার জন্যে মামুর বাড়ির কলা তারা মনে মনে কলা খাইতে থাকো।
.
৪. ভর্তি কোচিংগুলাতে এখন বিশাল ছাড়ে ভর্তি চলছে! তাই হয়তো অনেকেই কোচিংয়ে ভর্তি হয়ে গেছ। আর যারা হও নাই তারাও পরীক্ষা শেষ করে হয়তো ভর্তি হয়ে যাবা। কোচিংয়ে ভর্তি হয়ে গেছ মানেই যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়ে গেছ ভাবতেছ তারা এইসব ভংছং বাদ দাও। কোচিং তোমাকে চান্স পাওয়ার রাস্তা দেখাবে চান্স দিবেনা।
.
৫. কোন কোন ভাইয়া আপু ভর্তি কোচিংয়ের সময়টাতে কোচিংয়ের নামে বাবার টাকায় ফোনে প্রেমালাপ ও ডেটিংয়ে ব্যস্ত থাকবেন। আমি বলছিনা যে ফোনে প্রেমালাপ বা ডেটিংয়ের দরকার নাই আমি এটা বলছি যে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার পরও করা যাবে এবং খুব ভালোভাবে করা যাবে।
.
৬. অনেক ফার্স্ট টাইমাররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর কয়েকটা গ্রেন্ড বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্যগুলাতে আবেদনই করেনা। কিন্তু স্বল্প সিটের বিপরীতে পরীক্ষা দিয়ে প্রতিযোগিতায় ঠিকে থাকতে পারেনা। কিন্তু তারা যদি ছোট বিশ্ববিদ্যালয় গুলাতেও আবেদন করতো তাহলে হয়তো কোন একটাতে হলেও হয়ে যেত। তাই ফার্স্ট টাইমাররা প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়েই আবেদন করবা। আর সেকেন্ড টাইমাররা যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা যায় সবগুলাতেই করবা।
.
৭. আমাদের বাবা-মা দের একটা কমন সমস্যা হচ্ছে উনারা আমাদের ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেই দেখতে চান। আমরা কি আসলে ওইগুলার যোগ্য কিনা সেটা উনারা একবারও ভাবেন না। যাই হোক, আমার কথা সেটা না আমার কথা হলো যারা মেডিকেল বা বুয়েট কোচিংয়ে ভর্তি হবা তারা অল্প অল্প করে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও প্রস্তুতি নিয়ে রেখো। নাইলে খুব বিপদে পড়বা।
.
৮. যাদের জিপিএ কম তাদের টেনশন করার কোন দরকার নাই। ৮০% জিপিএ ফাইভধারীরাই ভর্তি পরীক্ষার সময় ভালোমত পড়াশোনা করেনা। ২০% এর কথা না ভেবে বাকি ৮০% কে পিছনে ফেলতে পারলেই তোমার চান্স নিশ্চিত।
.
পরিশেষে, বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া খুব সহজ আবার খুব কঠিন। বিগত বছরের প্রশ্নগুলা খুব ভালোভাবে সলভ করবা। এইচএসসির পর থেকে ভর্তি পরীক্ষা আগে পর্যন্ত যতটুকু সময় পাবা খুব ভালোভাবে কাজে লাগাবা। একদম সময় নষ্ট করবা না। দেখবা জয় তোমাদের হবেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাবার পর সবার কাছে তোমার দাম কেমন করে বাড়ে সেটা দেখার জন্য হলেও অল্প কিছুদিনের জন্য সবকিছু বাদ দিয়ে ভালোভাবে পড়াশোনা করো।
সবার জন্য রইলো অনেক অনেক শুভকামনা......
AponPost May 22 · Tags: hsc, admission
Pages: 1 2 »